এই লেখাটি ১৯৯৫ সনের ২৮শে জুলাই প্রকাশিত হয়েছিল সোসালিস্ট এপীল পত্রিকায়, ফ্রেদরিখ এঙ্গেলসের মৃত্যুর শতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে। প্রবন্ধটি লিখেছিলেন ইন্টারন্যাশনাল মার্ক্সিস্ট টেন্ডেন্সির ব্রিটেন শাখার দুই কমরেড ম্যারি হ্যানসন এবং রব সোয়েল। বর্তমানে প্রবন্ধটি ভাষান্তর করেছেন মাশিয়াত জাহিন।

মায়ানমারে একটি বিপ্লব ঘটছে। সামরিক জান্তার পাশবিক সহিংসতার মুখে জনসাধারণ অসীম সাহস প্রদর্শন করছে। শ্রমিক এবং তরুণ সমাজ আত্মরক্ষায় তৈরি হচ্ছে এবং নিপীড়িত জাতিগোষ্ঠী সংস্থাদের সাথে ঐক্য হচ্ছে। খুনি জান্তাকে গুরিয়ে দিতে এক ঐক্যবদ্ধ শসস্ত্র শ্রমিক সংগ্রাম এবং এক অনবরত হরতাল বর্তমান সময়ের দাবি!

মায়ানমারে ঘটে যাওয়া মিলিটারি ক্যু এর ফলে গণঅভ্যুত্থানের নতুন মাত্রা দেখা দিয়েছে গত কিছুদিনে।সেনাবাহিনীকে ক্ষমতা গ্রহণ থেকে বাঁধা দিতে  জনগণের দৃঢ় সংকল্পের ব্যাপারটি ক্রমবর্ধমান আন্দোলন আর ধর্মঘটের মধ্য দিয়ে দেখা প্রকাশ পাচ্ছে৷   সামরিক জান্তা স্পষ্টভাবেই জনগনের দ্বারা যে বিরোধীতার শিকার হচ্ছে, তাকে আগ্রাহ্য করে চলছে। নাগরিক আন্দোলন ক্রমাগত বেড়েই যাচ্ছে। মিলিটারির কর্তাব্যক্তিদের কাছে সবচেয়ে চিন্তার বিষয় বলো এই আন্দোলন কেবলমাত্র রাস্তা’র বিচ্ছিন্ন প্রতিবাদ সমাবেশে সীমাবদ্ধ নেই, তা ব্যাপক ধর্মঘটে পরিণত হয়েছে।    যেমন নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে: